বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট : সিলেটের আদালতেও মামলা!

বিশেষ প্রতিনিধি: বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের নামে এখতিয়ার বহির্ভূতবে আইনীভাবে ৭জনের নামে বাংলাদেশে একটি দলীল সম্পাদন করার পর থেকে বিগত কয়েক বছর ধরে ট্রাস্টে বিশৃঙ্খলা দেখা গিয়েছে। দলিল সম্পাদনের পাশাপাশি অনুমোদন ব্যতিত এবং সংবিধান লঙ্গন করে ট্রাস্টের মূলধন থেকে টাকা উত্তোলন, টাকার হিসেবে মিলিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়ে সরকারি কর্মকর্তাকে বেআইনি ঘুষ প্রদানের ব্যাপারে সাবেক এক সভাপতির স্বীকারোক্তি এবং সর্বোচ্চ আদালত হাইকোটের ্ররিট ইস্যুর বিষয়টি সদস্যদের কাছে গোপন রেখে আরেকটি কমিটি সিলেকশনের প্রক্রিয়া শুরু নিয়ে ট্রাস্টিদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এনিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন এবং দেশ বিদেশের বিভিন্ন মিডিয়াতে বিভিন্ন সময়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। গত কিছুদিন পূর্বেও ‘বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট: হাইকোর্টের রুল এবং সংগঠনের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে সদস্যবৃন্দ ও সচেতন উপজেলাবাসীর উদ্বেগ’ সহ বিভিন্ন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে সরব আলোচনা। শুধু তাই নয় এনিয়ে এখন পর্যন্ত দুটি মামলাও হয়েছে।

সম্প্রতি সিলেটে জজ আদালতে ট্রাস্টের বোর্ড অব ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে একটি মামলা করা হয়েছে। গত ২৯অক্টোবর দায়েরকৃত মামলার স্বত্ত্ব মোকদ্দমা নং ৫১/২০২০। মামলায় বিবাদী হিসেবে রয়েছেন সংগঠনের ট্রাস্টি ১। ফিরোজ খাঁন (পংকীখাঁন) ২। সাজ্জাদুর রহমান ৩। আব্দুর রউফ ৪। আব্দুল ওয়াহিদ ৫। রহমত আলী ৬। মীর্জা আসহাব বেগ এবং ৭। নজরুল ইসলাম।

মামলার বর্ণনা করা হয়, উক্ত ট্রাস্টের সদস্যগণের মধ্যে কয়েকজন ট্রাস্টি মূল সংবিধানের বিপরীতে তাহাদের নিজেদের ইচ্ছা এবং সুবিধাজনক ভাবে একতরফা ভাবে একটি ‘বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট’ এর সংবিধান নামে বাংলাদেশে একটি সংবিধান রেজিস্টার করিয়াছেন।

দেশের সর্বোচ্চ আদালত হাইকোর্টে ট্রাস্ট নিয়ে একটি মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় নিম্ন আদালতে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিষয়গুলো এখন আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বিধায় তা আদালতের মাধ্যমে আইন সম্মতভাবে সমাধান হবে বলে ট্রাস্টিবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

উল্লেখ, গত বছর সেপ্টেম্বরে বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের কার্যক্রম সম্পর্কে দেশের সর্বোচ্চ আদালত হাইকোর্টের মাননীয় বিচারপতি মোহাম্মদ এনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বেঞ্চ একটি রুল জারি করেন। রুলে হাইকোট বেঞ্চ ২০১৫ সালে ৭ জনের নামে সম্পাদিত ট্রাষ্টের দলিলের মাধ্যমে বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাষ্টের কার্যক্রম কেন বেআইনী হবেনা, এই মমের্ কারণ দর্শানোর জন্যে বিবাদীদের প্রতি নোটিশ জারি হয়েছিল।