বিশ্বনাথে করোনা রোগীর সংখ্যা ৮, বাড়েনি সচেতনতা!

বদরুল ইসলাম মহসিন.
করোনা থইথই করছে, ঘরে ও বাহিরে- গাড়ীর ভেতরেও ডুকার চেষ্টায় করোনা। মার্কেট আঙিনায় বা বাজারে করোনা ভাইরাসের স্রোত। হাটবাজারে চারদিকে মানুষের ভীড়, অনেকটা সিনেমার মতো আড্ডাবাজি।
বিশ্ব যখন করোনা ভাইরাস রোধে হিমশিম খাচ্ছে, তখন সিলেটের বিশ্বনাথ ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষসহ কেউই মানছেন না সরকারি নির্দেশন। সকল কিছু উপেক্ষা করে দোকান-খোলা রাখছেন অবিরত। বাজার ও মার্কেটে জনসমাগমের সৃষ্টি হচ্ছে, ফলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি ভেড়েই চলছে। সরেজমিনে সদর উপজেলার বাজারগুলোতে এমনই চিত্র দেখা যায়। সামাজিক দূরত্ব না মেনেই দোকানে ক্রয়-বিক্রয় চলছে। ক্রেতাদের মুখে যেমন মাস্ক দেখা যায়নি, তেমনি হাত মোজা ছাড়াই বিক্রেতারা পণ্য বিক্রয় করছেন। সদরের সিএনজি এষ্টেন্ড গুলোতে গাড়ীর সংখ্যাও আগের মতো, যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া নিচ্ছেন দ্বিগুন। অনেকেই নানা অযুহাতে রাস্তাঘাটসহ বাজার গুলোতে জনসমাগম করছে।

উপজেলাতে পরীক্ষা করে ডাক্তার, পুলিশসহ এখন পর্যন্ত ৮ জন করোনা শনাক্ত করা হয়েছে, রোগীর সংখ্যা দিনদিন আরো বাড়তে পারে, প্রতিদিন নতুন নতুন নাম যোগ হচ্ছে আক্রান্ত রোগীর মিছিলে!

এ বিষয়ে বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল আহাদ সবাইকে নিজের এবং পরিবারের স্বার্থে ঘরে থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, আতঙ্কিত না হয়ে করোনার হাত থেকে রক্ষা পেতে সচেতন থাকুন এবং আল্লাহর উপর ভরসা রাখি। প্রয়োজনে একা একা আল্লাহর কাছে দোয়া করুন।অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে সরকার ও সমাজের বিত্তবানরা আরো এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত (ইউএনও) মো. কামরুজ্জামান সাংবাদিকদেরকে জানান, সরকারি নির্দেশে সকল নির্দেশনা মেনে, হাটবাজার, মার্কেটগুলো সীমিত আকারে খোলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্হ্য বিধি মেনে যাতে ব্যবসায়ীরা সচেতন হন, সেজন্য তাদেরকে বলা হয়েছে, সেজন্য মোবাইল কোর্ট অব্যাহত থাকবে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে।